Showing posts with label পরকীয়া লীগ. Show all posts
Showing posts with label পরকীয়া লীগ. Show all posts

Wednesday, November 27, 2013

আফিয়ার জালে বন্দি ছাত্রলীগ নেতা সুমন

ছাত্রলীগ নেতা সুমনের জালে সংসারের ছন্দ হারিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছিলেন আফিয়া বেগম। স্বামী-সংসার ছেড়ে প্রায় তিন বছর তার সঙ্গে করেছেন স্ত্রীর মতো অবাধ মেলামেশা। প্রথমে নিজ এলাকায়, পরে অবাধ মেলামেশা আরও অবারিত করতে দু’জনে চলে আসেন সিলেটে। বাসা ভাড়া করে আফিয়াকে রক্ষিতার মতো ব্যবহার করছিল সুমন। এক পর্যায়ে তার সঙ্গ ছেড়ে দেয় গাঢাকা। কিন্তু আফিয়া ছাড়েননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর গতকাল সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা সদরে পেয়ে জাপটে ধরেন তাকে। এসময় দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে সুমন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয় না। স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে তাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। আর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় চলছে জৈন্তাপুরে। সুমনের পুরো নাম সুমন মোহন ধর (৩৫)। বাড়ি জৈন্তাপুর উপজেলার উজানীনগর গ্রামে। পিতা সবিন্দ্র মোহন ধর (মৃত)। সুমন জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক। আর তার প্রেমিকা চার সন্তানের জননী আফিয়া বেগম (৩৫)। আফিয়া স্থানীয় কাঠাবাড়ি গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে।

Thursday, September 12, 2013

পরকীয়ায় ধরা খেয়ে ৫০ বছরের বৃদ্ধাকে বিয়ে করতে বাধ্য হলেন আ.লীগ নেতা

পরকীয়ায় ধরা খেয়ে ৫০ বছরের বৃদ্ধাকে বিয়ে করতে বাধ্য হলেন আ.লীগ নেতা

রাজশাহীর তানোরে পরকীয়া প্রেমে ধরা খেয়ে অবশেষে ৫০ বছরের বৃদ্ধাকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছেন চান্দুড়িয়া ইউপির আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ও ইউপি মেম্বার সুরমান। এ ঘটনায় ওই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চেল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চাঁন্দুড়িয়া ইউপি'র সুরমান মেম্বার তার নির্বাচনী এলাকার সিলিমপুর গ্রামের ৫০ বছর বয়সের এক বিধবা বৃদ্ধার সঙ্গে প্রায় দু'বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে দৈহিক মেলামেশা করে আসছিলেন। এ অবস্থায় গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ওই বৃদ্ধ নারীকে বিধবা ভাতার কার্ড পাইয়ে দেয়ার নামে তার বাড়িতে গিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হন ঐ মেম্বার। এসময় আশপাশের লোকজন জানতে পেয়ে তাদেরকে একই ঘরে আটক করে থানা পুলিশে খবর দেন।

খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ইউপি মেম্বারসহ ওই বিধবা বৃদ্ধাকে রাতেই আটক করে থানা হেফাজতে নেন। পরে স্থানীয় লোকজনের পরামর্শে ইউপি মেম্বার ওই নারীকে বিয়ে করতে রাজি হন। ৮০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য্য করে থানার বাইরে কাজী অফিসে নিয়ে তাদের বিয়ে দেয়া হয়।

তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার আলী তুহিন জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় লোকজন মেম্বারকে বিয়ে করার পরামর্শ দেন। এতে ওই বৃদ্ধার আপত্তি না থাকায় তাদেরকে বিয়ে দেয়া হয়েছে।
http://www.sylhetbarta.com/newsdetail/detail/31/11301