Showing posts with label চাপাতি লীগ. Show all posts
Showing posts with label চাপাতি লীগ. Show all posts

Sunday, December 15, 2013

র‌্যাব-পুলিশের ছত্রছায়ায় বেপরোয়া ছাত্রলীগ-যুবলীগ

16 Dec, 2013
প্রকাশ্যে র‌্যাব-পুলিশের সাথে সাদা পোষাকে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা-কর্মীদের সশস্ত্র আক্রমণ বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ আরো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। রাজধানীসহ সারাদেশে র‌্যাব-পুলিশের সাথে প্রকাশ্যে যেভাবে অস্ত্র হাতে মাঠে নেমেছে তাতে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর গ্রহণ যোগ্যতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান সরকারের শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা, অন্তর্দ্বন্দ্ব, সংঘর্ষ, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, দখল-বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ারও অভিযোগ রয়েছে ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। বর্তমান সরকারের মেয়াদকালে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা চার শতাধিকবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সর্বশেষ ১৩ ডিসেম্বর শুক্রবার কোম্পানীগঞ্জ ও সোনাইমুড়ীতে পুলিশ ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের গুলিতে শিবিরের আট কর্মী নিহত হয়। শুক্রবার সোনাইমুড়ী উপজেলার সোনাপুর বাজারে ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীরা শিবির কর্মীদের ওপর প্রকাশ্য গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলে শিবির কর্মী ও স্থানীয় আমিশাপাড়া মাদরাসার ছাত্র হাফেজ জোবায়ের হোসেন (১৯) মারা যান এবং আট শিবির কর্মী গুলিবিদ্ধ হন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন কর্মকর্তা বলেন, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের এ পরিস্থিতি একদিনে তৈরি হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকলেও তা নিয়ে কেউ মাথা ঘামায়নি। দলের ভেতর থেকে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের সায়েস্তা করতে আরো উস্কে দেয়া হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে যেখানে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা নিজ এলাকা যেতে পারছেন না সেখানে যুবলীগ ও ছাত্রলীগকে র‌্যাব-পুলিশের শেল্টারে সশস্ত্র অবস্থায় মাঠে নামিয়ে দেশের শান্তিপ্রিয় মানুষের উপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়ানো ছাড়া আর কিছুই হবে না বলে ওই কর্মকর্তা মন্তব্য করেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে যে অবস্থা চলছে তাতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে দায়ী না করে তাদের আইন-শৃংখলা ভঙ্গকারী হিসাবে দেখতে হবে। সংঘর্ষের যে ঘটনাগুলো এতদিন ঘটে আসছে, সেগুলোর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি এমন হতো না।

Saturday, December 14, 2013

চলতি বছরে ঢাবির ১৫০ শিক্ষার্থীর হাত-পা ভেঙেছে ছাত্রলীগ : নির্যাতনে সহায়তা দিচ্ছে প্রশাসন

চলতি বছরে বিরোধী মতাদর্শী হওয়ার কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫০ শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দিয়েছে ছাত্রলীগ। তাদের এ হিস্রতা থেকে রেহাই পায়নি শিক্ষক, কর্মকর্তারাও। নিজ বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এ পাশবিক নির্বাচন ও অত্যাচারের শিকার হয়ে পঙ্গু হয়েছেন অনেকে। পঙ্গুত্বের অভিশাপকে আজও বহন করেন তারা। ছাত্রলীগ নামধারী এ সন্ত্রাসীরা শিক্ষার্থীদের নির্যাতন করেই ক্ষান্ত হয়নি। কেড়ে নেয়া হয়েছে তাদের এসএসসি, এইচএসসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র। লুট করা হয়েছে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল ও মানিব্যাগ।
বিভিন্ন সময় ছাত্রলীগের নির্যাতন থেকে মুক্তি পেতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহায়তা চাইলেও তা পায়নি শিক্ষার্থীরা। বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রে অত্যাচারী ছাত্রলীগের সহযোগী হিসেবে ভূমিকা রেখেছে প্রশাসন। 

Tuesday, November 19, 2013

দলীয় নেতাকে কুপিয়ে জখম করেছে ছাত্রলীগ


নিজস্ব প্রতিনিধি
আরটিএনএন
রাবি: ব্যক্তিগত শত্রুতার জের ধরে বেলাল হোসেন বিল দলীয় এক নেতাকে কুপিয়ে জখম করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগ।

মঙ্গলবার বিকেলে ক্যাম্পাসের টুকিটাকি চত্বর থেকে বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান হলে নিয়ে গিয়ে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করা হয়।

আহত ছাত্রলীগ নেতা বিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি। তাকে প্রথমে রাবি মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হলেও পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার সময় কয়েকজনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের টুকিটাকি চত্বরে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন বিল। এ সময় রাবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফ এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক ফারুক হোসেন তাকে বঙ্গবন্ধু হলে ডেকে নিয়ে হলের একটি কক্ষে আবদ্ধ করে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে।

এ সময় তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। পরে কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী তাকে উদ্ধার করে মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে জানতে আসিফের মোবাইলফোনে বারবার কল দেয়া হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

রাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান রানা বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনে রাবি মেডিকেল সেন্টারে গিয়ে দেখি, বিলের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে রক্ত ঝড়ছে। পরে আমি তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে পাঠিয়েছি।’

এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান রানা।

উল্লেখ্য, আসিফ ও ফারুক রাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ আল তুহিন গ্রুপের কর্মী। তুহিন গত কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক থাকাবস্থায় তাকে টুকিটাকি চত্বরে চড়-থাপ্পর মেরেছিল বিল। ওই ঘটনার জেরেই মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটেছে বলে ছাত্রলীগে একটি সূত্র জানিয়েছে।
http://www.rtnn.net//newsdetail/detail/3/44/73634#.UowJxsTxqtg

Sunday, November 17, 2013

তারেকের খালাসে আদালতে ক্ষুব্ধ আইনজীবীদের ভাঙচুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: অর্থপাচার মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে খালাস দেয়ায় আদালত প্রাঙ্গনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সরকারপন্থি আইনজীবী।

রবিবার দুপুর সোয়া ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মোতাহার হোসেন রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা অর্থপাচারের মামলায় তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। তবে একই মামলায় ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে সাত বছর কারাদণ্ড, ৪০ কোটি টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের জেল দেন আদালত।

Thursday, November 7, 2013

ইবির ভিসি কার্যালয়ে ছাত্রলীগের হামলা

ইবি/ জেলা প্রতিনিধি, বাংলামেইল২৪ডটকম
কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল হাকিম সরকারের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে চাকরিপ্রত্যাশী ছাত্রলীগ নেতারা। এসময় শাখা কর্মকর্তাদের কার্যালয়েও ভাঙচুর চালানো হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে ইবি শাখা সাবেক ছাত্রলীগের চাকরিপ্রত্যাশী নেতা আশিকুর রহমান ও তৌফিকুর রহমানের নেতৃত্বে কয়েকজন এ হামলা চালায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপাচার্যের কার্যালয়ের একজন কর্মচারী জানান, দুপুর ২টার দিকে ইবি শাখা সাবেক ছাত্রলীগের চাকরি প্রত্যাশী নেতা আশিকুর রহমান ও তৌফিকুর রহমানের নেতৃত্বে চাকরিপ্রত্যাশী ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতাকর্মী বহিরাগত আরো কিছু লোককে নিয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ে ঢোকেন। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল হাকিম সরকার শারিরীকভাবে অসুস্থতার জন্য ক্যাম্পাসের বাইরে ছিলেন।
ওই নেতাকর্মীরা উপাচার্যের কার্যালয়ে এসে কাউকে না পেয়ে উপস্থিত কয়েকজন কর্মচারীকে তারা অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী এবং শাখা কর্মকর্তাদের কক্ষের চেয়ার টেবিল ও কাঁচ ভাঙচুর করে চলে যান। পরে প্রক্টর অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি অফিসের প্রয়োজনে কক্ষের বাইরে ছিলাম। বাইরে থেকে আসার পর আমার কক্ষ এবং ভিসি স্যারের ব্যক্তিগত সহকারী জিল্লুর রহমানের কক্ষে ভাঙচুরের দৃশ্য দেখতে পাই।’ তবে কে বা কারা এ ভাঙচুর চালিয়েছেন, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ সাবেক নেতা আশিকুর রহমান তার নিজের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘ঈদের ছুটির পর কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিলো, কিন্তু তা এখনো না হওয়ায় বহিরাগত চাকরিপ্রত্যাশীদের কয়েকজন গিয়ে কাউকে না পেয়ে ভাঙচুর করেছে।’

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক শামীম খান বলেন, ‘ভাঙচুরের ঘটনার সাথে ছাত্রলীগের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নয়।’

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে  প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

উল্লেখ্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী পদে নিয়োগের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রলীগের চাকরিপ্রত্যাশী সাবেক কয়েকজন নেতাকর্মীকে আশ্বাস দিয়ে আসছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আগেও বিভিন্ন অফিসে বেশ কয়েকবার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
http://www.banglamail24.com/index.php?ref=ZGV0YWlscy0yMDEzXzExXzA3LTk4LTYxMzA4

Monday, August 26, 2013

বগুড়ায় অস্ত্রসহ ছাত্রলীগের ছয় জন আটক

bogra ছাত্রলীগ
বগুড়া সংবাদ ডট কম ডেস্ক: বগুড়ায় ছাত্রলীগ নেতার ছাত্রাবাস থেকে বিপুল সংখ্যক দেশীয় তৈরী ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‌্যাব। এসময় ছাত্রবাসের বিভিন্ন কক্ষ থেকে ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটায় র‌্যাব-১২ বগুড়া বিশেষ ক্যাম্পের সদস্যরা এই অভিযান চালায়।জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২ বগুড়া বিশেষ ক্যাম্পের স্কট কমান্ডার এএসপি আবু সাঈদের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল শহরের সবুজ বাগ এলাকায় তাপসী রাবেয়া স্কুলের পার্শ্বে শহর ছাত্রলীগের সভাপতি জুলফিকার রহমান শান্তর ছাত্রবাসে অভিযান চালায়। র‌্যাব সদস্যরা ছাত্রবাসের সব কটি কক্ষ তল্লাশি চালায়। এসময় ৪টি কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয় ৯টি বড় রামদা, ৪টি চাকু, ১১টি লোহার পাইপ এবং ১৫টি আড়াই ফুট লম্বা লোহার রড। এসময় ওই কক্ষগুলো থেকে ৬জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে পিন্টু (২৫), ইমরান (১৯), মাহবুব (২৪), সাগর (২৬), মানিক (২৪) এবং হাসান (২২). গ্রেফতারকৃতরা শহর ছাত্রলীগের কর্মী বলে জানায়।
http://bograsangbad.com/5993?fb_comment_id=fbc_206094182884807_609231_206127259548166#f3881582f