Showing posts with label ধর্ষক লীগ. Show all posts
Showing posts with label ধর্ষক লীগ. Show all posts

Sunday, December 29, 2013

আওয়ামী নেতাদের এ কেমন বর্বরতা!

চরম বর্বর এক ঘটনা ঘটে গেল শিক্ষানগরী রাজশাহীতে। লজ্জা আর অবমাননাকর সেই ঘটনা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখল শত শত মানুষ। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বর্বর আচরণের প্রতিবাদের সাহসও ছিল না তাদের। 

'অসম বিয়ের অপরাধে' স্বামী-স্ত্রীকে বেধড়ক পেটানোর পর জুতার মালা পরিয়ে ঘোরানো হলো এলাকায়। পরে খোলা ময়দানে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হলো সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত।

ঘটনাটি ঘটেছে রাজশাহী নগরীর ভাটাপাড়া এলাকায় রবিবার। আওয়ামী লীগ নেতা ্ স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নির্দেশে এই ঘৃণ্য বর্বর ঘটনা ঘটায় এলাকার আওয়ামী নেতা-কর্মীরা। 

নিগ্রহের শিকার দুজন হলেন রুবেল হোসেন (২৫) ও নিলুফা বেগম (৪০)। তাঁদের মধ্যে রুবেল হোটেল কর্মচারী আর নিলুফা অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। থাকেন ভাটাপাড়া এলাকার একটি বস্তিতে।

Sunday, December 22, 2013

ছাত্রলীগের ইভ টিজিংয়ের শিকার ঢাবির ৩ ছাত্রী

ছাত্রলীগের ইভটিজিংয়ের শিকার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে অধ্যয়নরত তিন ছাত্রী। ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় পিটিয়ে আহত করা হয় তিন ছাত্রীসহ আরও একজনকে। আহত ছাত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। প্রক্টর ড. আমজাদ আলী বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে মানববন্ধনসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করার হুমকি দিয়েছেন তারা। জানা যায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই তিন ছাত্রীসহ তাদের এক বড় ভাই জহুরুল হক হলের সামনে দিয়ে নীলক্ষেত যাচ্ছিলেন।

Friday, December 20, 2013

আওয়ামীলীগ প্রার্থীর বিরুদ্বে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে নিজ মেয়ের মামলা

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ড. মাহবুবইল ইসলামের স্ত্রী ফারহানা ইসলাম কন্যা ইলিউন এম ইসলাম ঢাকার কাফরুল থানায় মামলা ও একাধিক জিডি করেছেন। ফারহানা ইসলাম বাদী হয়ে তার স্বামী ড .মাহবুবউল ইসলামের নামে সরাসরি নির্যাতনের মামলা করেন। মামলা নং কাফরুল থানা ৬৫/৫৪৯ তাং ২৯/০৯/০৯.... মামলায় ২জন আসামির মধ্যে ড. মাহবুবউল ইসলামকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। মামলার বিবরনে ফারাহানা ইসলাম তার স্বামীকে মাতাল, যৌতুকলোভী, স্ত্রী নির্যাতনকারী হিসাবে বর্ণনা করেছেন। মামলায় স্ত্রী অভিযোগ করেছেন তার স্বামী তাকে নির্যাতন করে তার পিতা অবসরপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার মো. লিয়াকত আলী খানের কাছ থেকে ৮৫ লাখ টাকা নেন ব্যবসার নাম করে। 

ফারহানা ইসলাম তার নিজ হাতে লেখা আর্জিতে এক স্থানে বলেন তার স্বামী তার ব্যবসায়িক অংশীদারদের সাথে অবৈধ মেলা মেশাও অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে। তখন স্ত্রী আপত্তি জানালে তার ওপর আবারও নির্যাতন শুরু হয়। এই ভাবে ড. মাহবুবউল ইসলাম তার শ্বশুরের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা নিয়ে আত্মসাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই ভাবে গুলশান থানায় ড. মাববুবুল ইসলামের কন্যা ইলিউনা এম ইসলাম ১১/০৬/২০১১ তারিখে জিডি করেন। জিডি নং ৮৪০ তাং ১১.৬.১১... এই জিডিতে কন্যা ইলিউন এম ইসলাম তার পিতার অবৈধ কর্মকান্ডের বর্ণনা দেন মদ্যপ অবস্থায় তার উপর ধ্বর্ষন চেষ্টার অভিযোগ করেছেন ।স্বামীর এই অনৈতিক কর্মকান্ডের জন্য ফারহানা খান তার স্বামী ড. মাহবুবুল ইসলামকে ৯/০৩/২০১০ সালে তালাক প্রদান করেন।

Wednesday, October 30, 2013

আ'লীগের সাধারন সম্পাদকের ছত্রছায়ায় ঝুমুর যাত্রার অশ্লীল নৃত্যে প্রশাসন নিরব

থানা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে ৩ মাস ধরে ঝুমুর যাত্রার নামে অশ্লীল নৃত্য ও জুয়ার আসর জমজমাট ভাবে চলছে। জানা গেছে, উপজেলার  তারাপুরের নিজাম খাঁ বাধের মাথায়, বেলকার রামডাকুয়ার চরে ও হরিপুরের বাংলাবাজারে ৩ মাস থেকে পুলিশকে ম্যানেজ করে অশ্লীল যাত্রা চালিয়ে সারা রাত ব্যাপী ফরগুটি দিয়ে চলছে জুয়ার আসর। 

এসব নেতৃত্ব দিচ্ছে আ’লীগের বেলকা ইউপি’র সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান (মজি), নিজাম খাঁ মুকুল, মাসুদ পুলিশ ও থানা পুলিশ। যাত্রার নামে অশ্লীল নৃত্য চলায় এলাকার সুধী মহলের মাঝে প্রশাসনকে নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন থেকে এই জুয়ার আসরগুলো চলায় এলাকায় আইন শৃঙ্খলার অবনতিসহ বেড়েছে চুরি ও ছিনতাই। এলাকার সুধী সমাজ বলছেন, রক্ষক যখন ভক্ষক হয়ে দাঁড়িয়েছে, এখন আইন বলতে আর কিছুই থাকল না। এখনই এই অশ্লীল যাত্রা ও জুয়া বন্ধ না করলে যুবকরা জুয়ার টাকা সংগ্রহের জন্য খুন খারাপিসহ বড় ধরণের অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে যাবে। এব্যাপারে পুরো উপজেলাবাসী আইন শৃঙ্খলা রক্ষা কারী বাহিনীর উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।

Thursday, October 10, 2013

যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে তরুণীকে রাতভর গণধর্ষণ

মাদারীপুর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতির বাসায় এক তরুণীকে চাকরি দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণ করেছে মাদারীপুর জেলা যুবলীগের এক প্রভাবশালী নেতা ও তার তিন বন্ধু। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে যুবলীগের জেলা কমিটির সদস্য আকতার হাওলাদার, তার বন্ধু আজাদ ও আনু ভূইয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করে। ওই তিনজনসহ মোট চারজন এক তরুণীকে ধর্ষণ করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাতে মাদারীপুর শহরের বিসিক শিল্পনগরী এলাকায়।
ধর্ষণের শিকার তরুণী পুলিশ ও সাংবাদিকদের জানান, একটি বীমা কোম্পানিতে চাকরি দেয়ার কথা বলে আকতার হাওলাদার তাকে ডেকে নিয়ে যান জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি জাকারিয়া অপুর বাড়িতে। সেখানে মদ পান করে আকতার হাওলাদার, আজাদ, আনু ভূইয়া ও রুবেল মুন্সী তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। তবে রুবেল মুন্সীকে পুলিশ এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি। তরুণী আরো জানান, ‘ধর্ষণ শেষে একপর্যায়ে আমি বাথরুমে গিয়ে আমার ভাইকে ফোন দিই। আমার ভাই পুলিশকে বিষয়টি জানালে পুলিশ আসে।’
এ ব্যাপারে বাড়ির মালিক জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি জাকারিয়া অপু বলেন, আমি পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঢাকায় আছি। আমি ঢাকায় যাওয়ার সময় বাড়ির চাবি আনু ভূইয়ার কাছে রেখেছি।
মাদারীপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) আবুবকর সিদ্দিক বলেন, ‘খবর পেয়েই আমার নেতৃত্বে পুলিশ বাড়িটি ঘেরাও এবং ধর্ষকদের মধ্যে আকতার হাওলাদার, আনু ভূইয়া ও আজাদকে মদ এবং কনডমসহ গ্রেফতার করা হয়। এক ধর্ষক পালিয়ে গেছে।’
ধর্ষিতাকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
মাদারীপুর থানার ওসি সুভাষ কুমার পাল বলেন, মামলা দায়েরের পাশাপাশি ধর্ষিতাকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিচার দাবি করেন।

Thursday, September 26, 2013

মিরসরাইয়ে গৃহবধূকে ছাত্রলীগ কর্মীদের গণধর্ষণ

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: মিরসরাইয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। করেরহাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কর্মীরা এ ঘটনা ঘটায়। ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে করেরহাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি শোভন পদত্যাগ করেছেন। সূত্র জানায়, বুধবার সন্ধ্যায় ফেনী থেকে করেরহাট রামগড় সড়ক সংলগ্ন নয়টিলা মাজার জিয়ারত করতে আসেন ফেনীর মহিপাল হাজারী রোড এলাকার ওই গৃহবধূ। সঙ্গে ছিলেন তার চাচাতো ভাই। তার হাতের জটিল অসুস্থতার জন্য বিয়ের পর স্বামী তাকে নিয়ে যাচ্ছে না বলে নিয়ত করে ভাইকে সঙ্গে নিয়ে এখানে আসেন তিনি। সন্ধ্যার পর ফেরার পথে করেরহাট বাজার পার হয়ে লক্ষ্মীছড়ার পাশে স্থানীয় ছাত্রলীগের যুবক দিদারুল আলম (২৩), মোশাররফ (২৪), সুজা (২৩) ও করিম (২৪) তাদের সিএনজি আটক করে চাচাতো ভাইয়ের ২টি মোবাইল ও পকেটে থাকা ৪০০ টাকা নিয়ে নেয়। এরপর ভাইকে সেখানে আটকে রেখে বোনকে লিটন (২৫), জিয়া (২৪) ও সবুজ (২৩) আরেকটি সিএনজিতে তাকে তুলে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর সব রেখে দিয়ে ভাইকে ছেড়ে দেয়। এরপর ভাই ঘটনাটি স্থানীয় লোকজনদের জানালে তারা স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি সেক্রেটারিকে জানাতে পরামর্শ দেন। অবশেষে রাত ১০টার পর ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয় জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ অবহিত হয়।
রাত ১২টার পর অপহরক দলের সদস্য দিদারুল আলমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী  রাত ২টায় গৃহবধূকে দক্ষিণ অলীনগর এলাকার পাহাড়ি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করেন জোরারগঞ্জ থানার এসআই আলমগীর হোসেন। এ সময় ধর্ষকেরা গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যায়। গৃহবধূ জানান, ৩ যুবক তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে। দিদারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ধর্ষক তিনজন হলো লিটন, জিয়া ও সবুজ। লিটন করেরহাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, দিদার প্রচার সম্পাদক ও সবুজ সক্রিয় কর্মী। এছাড়া অন্য সকলে ছাত্রলীগ কর্মী। এ বিষয়ে করেরহাট ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি কামরুল ইসলাম জানান এমন অপরাধী ছাত্রলীগ নয় এরা ছাত্রলীগ নামধারী।

Wednesday, September 18, 2013

কাজের মেয়েকে ধর্ষণ করলো ছাত্রলীগ নেতা!


hobigongহবিগঞ্জের মাধবপুরে এক ছাত্রলীগ নেতা কাজের মেয়েকে ধর্ষণ করেছে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ওই ছাত্রলীগ নেতা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে বিষয়টি রফাদফা করেছে।
উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি আন্দিউড়া গ্রামের বাসিন্দা কাজী বাবুল মিয়ার ছেলে কাজী রিয়াদ (২২) তার বাসার কাজের মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণ করে। অবশেষে ওই মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি এলাকাবাসীর মধ্যে জানাজানি হয়ে যায়। সোমবার রাতে স্থানীয় কয়েকজন মাতবর মিলে ওই ছাত্রলীগ নেতাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে বিষয়টি রফাদফা করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
ছাত্রলীগ নেতা রিয়াদের বাবা কাজী বাবুল মিয়া জানান, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। মেয়েটি অসুস্থ ছিল। তাই আমরা মেয়েটিকে চিকিৎসা করিয়েছি। আমার মানসম্মান নষ্ট করার জন্য কিছু লোক অপপ্রচার চালাচ্ছে।
স্থানীয় মতবর শাহআলম চৌধুরী ওরফে অনু চৌধুরী জানান, কাজের মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। এটি আমি পাশের বাড়ির কয়েকজনের কাছ থেকে শুনেছি। তবে কার দ্বারা হয়েছে তা আমার জানা নেই।
http://www.newsevent24.com/?p=61144

Tuesday, September 10, 2013

যৌন হয়রানির কারণে ছাত্রলীগ সভাপতিকে জুতাপেটা


টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : প্রথমবর্ষের এক ছাত্রীকে যৌনহয়রানী করায় ছাত্রলীগ নেতার কপালে জুটেছে অন্যরকম পুরস্কার। ছাত্রী আর শিক্ষক-শিক্ষিকারা মিলে তাকে করেছেন জুতাপেটা।

মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটেছে দেলদুয়ারে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ডিগ্রি কলেজে। প্রথমবর্ষের এক ছাত্রী ক্লাস করার সময় ওই কলেজের ছাত্রলীগ সভাপতি তোফায়েল হোসেন লিটু তার ক্লাসে যান। শিক্ষিকার উপস্থিতিতেই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করেন। এসময় প্রভাষক হাছিনা আকতার ঘটনার প্রতিবাদ করলে ওই নেতা শিক্ষিকার ওপর চরম ক্ষিপ্ত হয়ে অশ্লীল কথাবার্তা বলেন।

এঘটনায় সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা বিক্ষোভ শুরু করে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশ তলব করে কলেজ প্রশাসন। এক পর্যায়ে অন্যান্য প্রভাষক একত্র হয়ে ওই নেতাকে কলেজ মাঠে নিয়ে গিয়ে জুতাপেটা করেন।

এ ব্যাপারে ভাসানী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ এনামুল করিম শহিদ বলেন, ছাত্রীকে উত্যক্ত করায় প্রকাশ্যে কলেজমাঠে ওই ছাত্রকে জুতাপেটা করা হয়েছে। কলেজ থেকে তাকে বহিষ্কারও করা হবে।
http://www.amadershomoybd.com/content/2013/09/11/news0709.htm

Wednesday, September 4, 2013

ধর্ষণ করতে এসে লিঙ্গ হারালো আওয়ামীলীগ নেতা

image_18828সোমবার ভোর চারটার দিকে নওগাঁর ধামইরহাটে এক সাহসী গৃহবধূ তাকে ধর্ষণ করতে আসা এক লম্পটের লিঙ্গ ব্লেড দিয়ে বিচ্ছিন্ন করেছে। মারাত্মক আহত অবস্থায় ঐ লম্পটকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
উপজেলার জগদল গ্রামের রিক্সাচালক রহমত আলীর সুন্দরী স্ত্রী তাছলিমা খাতুন (২২) অভিযোগ করেন যে, তার স্বামী ঢাকায় রিক্সা চালাতে গেলে বাড়ীতে একা থাকার সুবাদে ঘোনাপাড়া গ্রামের দবির উদ্দীনের ছেলে আওয়ামীলীগ নেতা জিয়াউর রহমান (৩০) তার ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষনের চেষ্টা করে। সুযোগ বুঝে তাছলিমা ব্লেড দিয়ে জিয়ার লিঙ্গ বিচ্ছিন্ন করে। জিয়া প্রায়ই তাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল বলেও জানায়। এ ব্যাপারে থানায় নারী শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ধামইরহাট থানার ওসি হেলাল উদ্দীন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে ।
-বাংলাদেশ টাইমস

Monday, August 26, 2013

গণধর্ষণের ঘটনায় ছাত্রলীগের ৪ কর্মী আটক

গণধর্ষণের ঘটনায় ছাত্রলীগের ৪ কর্মী আটক
:: মিরসরাই প্রতিনিধি ::
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে এক তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনায় সোমবার ছাত্রলীগের ৪ কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
তারা হলেন, জোরারগঞ্জ থানার জামালপুর গ্রামের মাসুদ (২৪), শহিদুল ইসলাম (২৮), রেজাউল করিম প্রকাশ (২২) ও ফজলুল করিম (২৪)।
ওই তরুণী বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখার হাসান জানান, অভিযুক্ত ৪ যুবককে আটক করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
জানা গেছে, সাতকানিয়া উপজেলার রুপনগর গ্রামের চট্টগ্রাম জজ কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত এক পিপির মেয়ের বিয়ে ঠিক হয় অন্যত্র। বিয়েতে মত না থাকায় শনিবার গায়ে হলুদের দিন বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় ওই তরুণী। পরে বারইয়ারহাটে এসে বখাটেদের খপ্পরে পড়ে সে। জামালপুর এলাকার একটি নির্জন স্থানে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে ১২/১৫ জন বখাটে রাতভর তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে রোববার জোরাগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে।
এ ব্যাপারে উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক (একাংশ) মাঈনুর ইসলাম রানা জানান, ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হবে। ধর্ষণকারীরা ছাত্রলীগের কেউ হলে তাদেরকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। তিনি ধর্ষণকারীদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন।
ধর্ষণকারীরা ছাত্রলীগের কেউ নয় দাবি করে হিঙ্গুলী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক শরীফুল ইসলাম বলেন,“দুর্বৃত্তরা অপকর্ম করে ছাত্রলীগের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।”