বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের ওপর হামলা শেষে অস্ত্র তাক করে সাংবাদিকদের হুমকি দিয়েছে এক আওয়ামী লীগ কর্মী।সোমবার দুপুরে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবীদের জুতা ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শেষে সুপ্রিমকোর্টের ভেতরে থাকা সাংবাদিকদের জামায়াত-শিবির আখ্যায়িত করে তাদের অস্ত্রের ভয় দেখায় ওই আওয়ামী লীগ কর্মী।
এসময় সুপ্রিমকোর্টের প্রধান ফটকে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স এবং অনলাইন সংবাদ মাধ্যমের সংবাদ কর্মীরা দায়িত্ব পালন করছিলেন। দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে কৃষকলীগের সহ-সভাপতি এম এ করিমের নেতৃত্বে আসা মিছিল থেকে কিছু আওয়ামী লীগ কর্মী সাংবাদিকদের উদ্দেশে আক্রমণাত্মক কথা বলে। এসময় সাংবাদিকরা নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করেন। জবাবে আওয়ামী লীগ কর্মীরা বলে, ‘তোদের পরিচয়পত্র দেখা, তোরা শিবির।’
Monday, December 30, 2013
Sunday, December 29, 2013
আওয়ামী নেতাদের এ কেমন বর্বরতা!
'অসম বিয়ের অপরাধে' স্বামী-স্ত্রীকে বেধড়ক পেটানোর পর জুতার মালা পরিয়ে ঘোরানো হলো এলাকায়। পরে খোলা ময়দানে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হলো সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত।
ঘটনাটি ঘটেছে রাজশাহী নগরীর ভাটাপাড়া এলাকায় রবিবার। আওয়ামী লীগ নেতা ্ স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নির্দেশে এই ঘৃণ্য বর্বর ঘটনা ঘটায় এলাকার আওয়ামী নেতা-কর্মীরা।
নিগ্রহের শিকার দুজন হলেন রুবেল হোসেন (২৫) ও নিলুফা বেগম (৪০)। তাঁদের মধ্যে রুবেল হোটেল কর্মচারী আর নিলুফা অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। থাকেন ভাটাপাড়া এলাকার একটি বস্তিতে।
না.গঞ্জে পিস্তলসহ যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
শীর্ষ নিউজ ডটকম, নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগ নেতা ও তার সহযোগীকে গুলিভর্তি বিদেশি পিস্তল ও নগদ টাকাসহ গ্রেফতার করেছে র্যাব সদস্যরা।
রোববার দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ফতুল্লার পশ্চিম দেওভোগ এলাকার মৃত ফিরোজ হোসেনের ছেলে যুবলীগ নেতা তাসলিম হোসেন (৪৫) ও একই এলাকার সোবহান মিয়ার ছেলে স্বপন শেখ (২৮)।
Saturday, December 28, 2013
আমি আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান, বোমা বানাতেও পারি'
চট্টগ্রাম : আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান,আমিও বোমা বানাতে জানি,আমার চেয়ে বেশি বোমা বানাতে পারবে না কেউ বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-৪ আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী দিদারুল আলম।
শুক্রবার বিকালে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের বাড়বকুন্ড স্কুল মাঠে নির্বাচনী কর্মী সভায় বক্তব্য দানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বিপুল সংখ্যক র্যাভব পুলিশের প্রহরায় অনুষ্ঠিত বিকাল ৪টার দিকে বাড়বকুন্ড স্কুল মাঠে সভা অনুষ্ঠিত হয়। চলাকালে সভাস্থলের কাছে পর পর চারটি ককটেল বিস্ফোরিত হলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় নেতাকর্মীরা আতঙ্কে পালাতে থাকে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। পরে আবার সংগঠিত হয়ে সভার কাজ শুরু হয়।
জামায়াত-শিবিরকে উদ্দেশ্য করে দিদারুল আলম বলেন, দুই/একটি ককটেল মেরে আমাদের মিছিল সমাবেশ বানচাল করা যাবে না। আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান, আমিও বোমা বানাতে জানি, আমার চেয়ে বেশি বোমা বানাতে পারবে না কেউ। আমরাও এর উপযুক্ত জবাব দেব।
Monday, December 23, 2013
সাংবাদিক পেটালেন আওয়ামী লীগ নেতা
হবিগঞ্জের মাধবপুরে স্থানীয় এক সাংবাদিককে পিটিয়েছেন এক আওয়ামী লীগ নেতা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাধবপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার বিকালে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, পেশাগত কাজে দৈনিক মানবজমিন ও দৈনিক আজকের হবিগঞ্জ পত্রিকার মাধবপুর প্রতিনিধি রাজীব দেব রায় রাজু উপজেলা কমপ্লেক্সে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক এরশাদ আলী সাংবাদিক রাজুর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা সিনিয়র কয়েকজন সাংবাদিক ওই আওয়ামী লীগ নেতাকে বাধা দিতে গেলে তার ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়। পরে পুলিশ ও উপস্থিত জনতা ওই আওয়ামী লীগ নেতার কবল থেকে তাকে উদ্ধার করে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি আন্দিউড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী রিয়াদ কর্তৃক কাজের মেয়েকে ধর্ষণ ও আওয়ামীলীগ নেতা আপু মেম্বারের বিরুদ্ধে মাদকের রিপোর্ট করার পর আওয়ামী লীগ নেতারা তার ওপর ক্ষুব্ধ হন।
জানা যায়, পেশাগত কাজে দৈনিক মানবজমিন ও দৈনিক আজকের হবিগঞ্জ পত্রিকার মাধবপুর প্রতিনিধি রাজীব দেব রায় রাজু উপজেলা কমপ্লেক্সে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক এরশাদ আলী সাংবাদিক রাজুর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা সিনিয়র কয়েকজন সাংবাদিক ওই আওয়ামী লীগ নেতাকে বাধা দিতে গেলে তার ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়। পরে পুলিশ ও উপস্থিত জনতা ওই আওয়ামী লীগ নেতার কবল থেকে তাকে উদ্ধার করে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি আন্দিউড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী রিয়াদ কর্তৃক কাজের মেয়েকে ধর্ষণ ও আওয়ামীলীগ নেতা আপু মেম্বারের বিরুদ্ধে মাদকের রিপোর্ট করার পর আওয়ামী লীগ নেতারা তার ওপর ক্ষুব্ধ হন।
Sunday, December 22, 2013
ছাত্রলীগের ইভ টিজিংয়ের শিকার ঢাবির ৩ ছাত্রী
ছাত্রলীগের ইভটিজিংয়ের শিকার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে অধ্যয়নরত তিন ছাত্রী। ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় পিটিয়ে আহত করা হয় তিন ছাত্রীসহ আরও একজনকে। আহত ছাত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। প্রক্টর ড. আমজাদ আলী বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে মানববন্ধনসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করার হুমকি দিয়েছেন তারা। জানা যায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই তিন ছাত্রীসহ তাদের এক বড় ভাই জহুরুল হক হলের সামনে দিয়ে নীলক্ষেত যাচ্ছিলেন।
Friday, December 20, 2013
আওয়ামীলীগ প্রার্থীর বিরুদ্বে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে নিজ মেয়ের মামলা
আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ড. মাহবুবইল ইসলামের স্ত্রী ফারহানা ইসলাম কন্যা ইলিউন এম ইসলাম ঢাকার কাফরুল থানায় মামলা ও একাধিক জিডি করেছেন। ফারহানা ইসলাম বাদী হয়ে তার স্বামী ড .মাহবুবউল ইসলামের নামে সরাসরি নির্যাতনের মামলা করেন। মামলা নং কাফরুল থানা ৬৫/৫৪৯ তাং ২৯/০৯/০৯.... মামলায় ২জন আসামির মধ্যে ড. মাহবুবউল ইসলামকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। মামলার বিবরনে ফারাহানা ইসলাম তার স্বামীকে মাতাল, যৌতুকলোভী, স্ত্রী নির্যাতনকারী হিসাবে বর্ণনা করেছেন। মামলায় স্ত্রী অভিযোগ করেছেন তার স্বামী তাকে নির্যাতন করে তার পিতা অবসরপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার মো. লিয়াকত আলী খানের কাছ থেকে ৮৫ লাখ টাকা নেন ব্যবসার নাম করে।
ফারহানা ইসলাম তার নিজ হাতে লেখা আর্জিতে এক স্থানে বলেন তার স্বামী তার ব্যবসায়িক অংশীদারদের সাথে অবৈধ মেলা মেশাও অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে। তখন স্ত্রী আপত্তি জানালে তার ওপর আবারও নির্যাতন শুরু হয়। এই ভাবে ড. মাহবুবউল ইসলাম তার শ্বশুরের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা নিয়ে আত্মসাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই ভাবে গুলশান থানায় ড. মাববুবুল ইসলামের কন্যা ইলিউনা এম ইসলাম ১১/০৬/২০১১ তারিখে জিডি করেন। জিডি নং ৮৪০ তাং ১১.৬.১১... এই জিডিতে কন্যা ইলিউন এম ইসলাম তার পিতার অবৈধ কর্মকান্ডের বর্ণনা দেন মদ্যপ অবস্থায় তার উপর ধ্বর্ষন চেষ্টার অভিযোগ করেছেন ।স্বামীর এই অনৈতিক কর্মকান্ডের জন্য ফারহানা খান তার স্বামী ড. মাহবুবুল ইসলামকে ৯/০৩/২০১০ সালে তালাক প্রদান করেন।
ফারহানা ইসলাম তার নিজ হাতে লেখা আর্জিতে এক স্থানে বলেন তার স্বামী তার ব্যবসায়িক অংশীদারদের সাথে অবৈধ মেলা মেশাও অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে। তখন স্ত্রী আপত্তি জানালে তার ওপর আবারও নির্যাতন শুরু হয়। এই ভাবে ড. মাহবুবউল ইসলাম তার শ্বশুরের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা নিয়ে আত্মসাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই ভাবে গুলশান থানায় ড. মাববুবুল ইসলামের কন্যা ইলিউনা এম ইসলাম ১১/০৬/২০১১ তারিখে জিডি করেন। জিডি নং ৮৪০ তাং ১১.৬.১১... এই জিডিতে কন্যা ইলিউন এম ইসলাম তার পিতার অবৈধ কর্মকান্ডের বর্ণনা দেন মদ্যপ অবস্থায় তার উপর ধ্বর্ষন চেষ্টার অভিযোগ করেছেন ।স্বামীর এই অনৈতিক কর্মকান্ডের জন্য ফারহানা খান তার স্বামী ড. মাহবুবুল ইসলামকে ৯/০৩/২০১০ সালে তালাক প্রদান করেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)